Skip to main content

কে ওয়াই সি : আপনার অর্থসুরক্ষা নিশ্চিত করে জালিয়াতির থেকে, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলি।




কে ওয়াই সি বা নো ইওর কাস্টমার প্রক্রিয়ায় বর্তমানে অনেকেই সমস্যার মুখোমুখি  হচ্ছে। সব ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রে এর প্রয়োজন পড়ছে। বীমা হোক কিংবা মিউচুয়াল ফান্ড অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতেও এর প্রয়োজন পড়ছে। এখনতো মোবাইল ওয়ালেট এর জন্যও এর প্রয়োজন পড়ছে। আসুন  জানি এই কেওয়াইসি এর প্রয়োজনীয়তা ঠিক কতটুকু।

কে ওয়াই সি এর জন্য প্রয়োজন হয় আপনার তথ্যাদির

কে ওয়াই সি প্রক্রিয়া পূর্ণ করার জন্য আপনাকে কিছু ব্যক্তিগত কাগজপত্র জমা দিতে হয়। এইসব ব্যক্তিগত কাগজ পত্রের মাধ্যমে ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানী আপনার পরিচয় সম্পর্কে প্রমাণ গ্রহণ করে যার দ্বারা আপনি গ্রাহক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের জন্য কেওয়াইসি প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

কেওয়াইসি এর ব্যাপারে কিছু জরুরী তথ্য

-ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার অপব্যবহারে বাধা দেয়

-কেওয়াইসি এর জন্য কোন কোন কাগজপত্র  জরুরী

-কোথায় কোথায় কে হয়েছি প্রয়োজন হয়

-কেওয়াইসি কেন প্রয়োজন

ব্যাংক একাউন্ট ধারকদের নিরাপত্তা দেয়

আজকাল অনেক ব্যাঙ্ক জালিয়াতির খবর শোনা যায়। এইসব জালিয়াতি ঠেকাতে কেওয়াইসি প্রয়োজন । কেওয়াইসি অ্যাকাউন্ট হোল্ডার কে আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করে এবং ব্যাংকিং জালিয়াতি বন্ধে সহায়তা করে। যদি কেউ জাল পরিচয় ও জাল ঠিকানার ভিত্তিতে কোন অ্যাকাউন্ট খোলে তাহলেকে ওয়াই সি এর মাধ্যমে তাকে ধরা যায়।


কে ওয়াই সি এর মাধ্যমে আর্থিক সংস্থা গুলো কি কি তথ্য পায়

ব্যাংক কিংবা যেসব স্থানে আর্থিক লেনদেন হয় সেখানে প্রায়শই ব্যক্তিগতকাগজপত্র চাওয়া হয়। এইসব কাগজপত্রে আপনার নাম ঠিকানা এবং অন্যান্য পরিচয়নির্ধারক তথ্যাদি থাকে। ব্যাংকিং বা আর্থিক লেনদেনে আপনার আসল পরিচয় জানার জন্যই এই সব কাগজপত্র নেয়া হয়।  নাম এবং ঠিকানা এই দুটি জিনিস সঠিকভাবে নিবন্ধন করার তাগিদে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো দিতে পারেন। ব্যাংকে একাউন্ট খোলার পাশাপাশি ঋণ গ্রহণ, লকার গ্রহ্‌ ক্রেডিট কার্ডে বিনিয়োগ, মিউচুয়াল ফান্্‌ ডাকঘর প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ ইত্যাদি সম্পূর্ণ করতে কেওয়াইসি প্রয়োজন হয়। যদি কেউ কে ওয়াই সি পদ্ধতি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে তবে ব্যাংক  একাউন্ট খুলতে অস্বীকার করতে পারে।

এর জন্য প্রয়োজনীয় নথি কি

মূলত তথ্য হিসেবে কেওয়াইসি আপনার নাম, ঠিকানা, ছবি, জন্মতারিখ ইত্যাদি গ্রহণ করে। এইসব জিনিস নিশ্চিত করার জন্য আপনার নথি দেওয়ার অনেকগুলি বিকল্প রয়েছে।

শনাক্তকরণের জন্যঃ প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট এর ফটোকপি, ভোটার আইডি, আধার কার্ড কিংবা ব্যাঙ্ক পাসবুক এর কপি প্রয়োজন হয়।

ঠিকানার প্রমাণ এর জন্যঃ ল্যান্ডলাইন বা পোষ্টপেইড মোবাইলের বিল, বিদ্যুৎ বিল, পাসপোর্ট এর কপি, ডিমাট একাউন্ট এর শেষ স্টেটমেন্ট,  ব্যাঙ্ক পাসবুক এর সর্বশেষ ফটোকপি, রেশন কার্ডের ফটোকপি,  ভোটার আইডি,  বাড়িয়ালা থেকে ভাড়া চুক্তি,  ড্রাইভিং লাইসেন্স এবংআধার কার্ডের কপি আপনার ঠিকানা প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কেন কেওয়াইসি প্রয়োজন?

আর বি আই ছাড়াও, সেবি ও আইআরডি এর জন্যও এটি প্রয়োজন।এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। আপনার ব্যাংকে কম টাকা আছে নাকি বেশি টাকা আছে সেটা এক্ষেত্রে নির্ভর করে না। কে ওয়াই সি সবার জন্যই প্রয়োজন। কেওয়াইসি ব্যাংকিং সিস্টেম এর একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সুরক্ষা কবজ। জালিয়াতি এবং দুর্নীতি ঠেকাতে কে ওয়াই সি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


উৎস : goodreturns.in

Comments

Popular posts from this blog

মাধ্যমিক পাসদের জন্য LIC -র দারুন চাকরি, আয় করুন অফুরন্ত!!!!

লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এলআইসি) জনগণের জন্য দুর্দান্ত খবর নিয়ে এসেছে। এলআইসি এবার মানুষের জন্য নতুন কোন পলিসি নিয়ে আসেনি বরং তারা মানুষকে তাদের সঙ্গে যুক্ত হবার সুযোগ দিচ্ছে। এই কাজ ক্লাস টেন পাশ লোকও করতে পারবে এবং এর মাধ্যমে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবে। আসুন জেনে নিই কিভাবে। যদি আপনি দশম শ্রেণী পাস হন এবং একটি ভালো চাকরির সন্ধানে আছেন, তাহলে এলআইসি এজেন্ট আপনার জন্য একটি দারুন সুযোগ। এই কাজে আপনার উপার্জনের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই এবং সব থেকে জরুরি কথা হল এই যে আপনি ঘরে বসেই আপনার ক্লায়েন্টের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন। এর সাথে আপনি ফুল টাইম বা হাফ টাইম কাজ করারও সুযোগ পেয়ে যাবেন। এরপর আসুন জেনে নিই প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে। এলআইসি এজেন্ট হওয়ার জন্য আপনার বয়স নূন্যতম 18 বছর হওয়া প্রয়োজন। কাজের আবেদন এর জন্য আপনাকে এলআইসির সব থেকে কাছের কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে । এল আই সি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার কর্তৃক গৃহীত একটি ইন্টারভিউ এর পর আপনাকে প্রশিক্ষণের জন্য বিভাগ কিংবা এজেন্সি ট্রেনিং সেন্টারে প্রেরণ করা হবে।  এটি 25 ঘন্টার ট্রেনিং হবে। এই প্রশিক্ষণের পর...

চমৎকার উপায়!!! রোজ শেয়ার মার্কেট থেকে ইনকাম করুন প্রচুর পরিমাণে টাকা!

স্টক মার্কেটে কেউ অর্থের শিখরে আরোহণ করে, কেউ একটি র‍্যাঙ্ক তৈরি করে। কারো জন্য খুব আকর্ষণীয়, কারো জন্য অস্তিত্ব নেই। কারো মনে সারাদিন শুধুধু এটিই ঘোরে, আবার কেউ এর কিছুই বুঝতে পারে না। দেশের জনসংখ্যার কথা মাথায় রেখে ভাবুন, অর্থ উপার্জন করার জন্য যারা এই স্টক মার্কেটে ঢুকেছেন তাদের কষ্টের কথা চিন্তা করুন। দেশের জনসংখ্যার কথা মাথায় রেখে ভেবে দেখুন যারা টাকা ইনকামের জন্য শেয়ার মার্কেটে ঢুকছেন, তাদের কতোটা সংগ্রাম করতে হচ্ছে। কেউ কেউ ধৈর্যকে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসাবে বিবেচনা করে, কেউ সময়কে হাতিয়ার করে নেয় এবং কিছু ব্যক্তি কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা টিকে থাকে। এইগুলি ছাড়াও তৃতীয় ধরণের ব্যক্তি যারা দৈনিক ভিত্তিতে শেয়ার ক্রয় করে এবং বিক্রি করে। অনেকে আছেন, যারা বাজারের ঊর্ধ্বমুখী ও নিম্নমুখী সূচকের দিকে নজর রাখেন এবং ১০ থেকে ১৫ টাকা লাভের জন্যও কোনও কোনও শেয়ার বিক্রি করে দেন। বলা যেতে পারে যে বহু বছর ধরে স্টক মার্কেটে জড়িত থাকার জন্য়ে অনেকজন এক্সপার্টে পরিণত হন।যেসকল সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কম ধৈর্য থাকে, তারা বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারে না।শেয়ার বাজারে খুব সাবধানে এবং দীর্ঘ সময়ে...

দিনে 10 টাকা বিনিয়োগ করে কোটি টাকার তহবিল গড়ে তুলুন , একটি দুর্দান্ত পরিকল্পনা

মুদ্রাস্ফীতির এই যুগে অনেক সময় আপনার পরিবারের ইচ্ছা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় আমরা অর্থ সাশ্রয় করি, কিন্তু বিভিন্ন কারণে ব্যয় হয়ে যায়। এমনকি সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করার পরেও যখন প্রয়োজনের সময় হাতে টাকা থাকে না তখন খুব দুঃখ হয়। এমন পরিস্থিতিতে, আমরা আজ আপনাকে এমন একটি পরিকল্পনার কথা বলতে যাচ্ছি, যার মাধ্যমে আপনি প্রতিদিন ১০ টাকা বিনিয়োগ করে এক কোটিরও বেশি ফান্ড তৈরি করতে পারবেন। আসুন জেনে নিই এর জন্য আপনাকে কোথায় এবং কতটা বিনিয়োগ করতে হবে। আমরা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান (sip) -এর কথা বলছি, যাকে এসআইপি বলা হয়। বিগত কয়েক বছর ধরে মানুষ এসআইপি-তে বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এ থেকে বিশাল লাভ করা যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক আপনি কীভাবে প্রতিদিন ১০ টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে এক কোটি টাকারও বেশি টাকার মালিক হতে পারেন। যদি আপনিও এসআইপি-র মাধ্যমে আপনার টাকা বাড়ানোর কথা ভাবছেন, তবে আমরা আপনাকে প্রতিদিন ১০  টাকা জমা করে কীভাবে ১.১ কোটি টাকা সংগ্রহ করবেন তা দেখাতে যাচ্ছি। গত কয়েক বছরে লোকেরা এসআইপিতে 18 শতাংশ পর্যন্ত রিটার্ন পেয়েছে। আপনি যদি 35 বছরের জন্য প্রতিদিন...